Categories
Lifestyle / Tips

Weekend Recipe: Sharlotka Apple Cake

Sharlotka is a traditional Ukrainian/Russian apple cake. I tried this homemade delicious cake for the first time when I visited my in-laws in Ukraine. My husband’s grandma’ baked it as the dessert after lunch. I loved it a lot and asked for the recipe as I love baking myself. Turns out, this is a ‘quick, simple, and delicious’ way to satisfy the sweet tooth when you do not feel like following a big complicated recipe with 15 different measuring cup or spoon :p Ever since I learned the recipe, we have made it multiple times and also ended up modifying a little. But we loved the outcome every time we tried it. So, without further ado – here it goes.

Ingredients:

  • 4 eggs (room temperature)
  • a pinch of salt
  • sugar – 1 cup (or up to your taste)
  • all purpose flour – 1 cup
  • baking powder – 1 tea spoon (optional, baking soda also works)
  • vanilla essence – 1 tea spoon
  • apple – 1 big or 2 small
  • blueberries/strawberries/chocolate chunks (a handful, optional)

Procedure:

  • In a mixing bowl, beat the eggs with a pinch of salt. When egg white and yolks are mixed, add in the sugar and mix well for 8/9 minutes using an electric mixer. Or until the color of the mix becomes light, it increases in volume, and becomes thick and fluffy enough to slightly form a ribbon when you raise the mixer whisk.
  • Preheat the oven at 200 degree celsius.
  • Add the vanilla essence and give it a quick mix. From now on you can simply use a whisk to mix the rest of the batter to avoid over mixing.
  • Mix the flour and baking powder in a different bowl, and sift in the liquid mix in 3 batches. Fold or whisk them in lightly. Be careful to not form any lump. Also scrape the sides to mix everything well.
  • Prepare a cake pan with baking sheet and butter. Add a little bit of flour and dust around. This will help to take the cake out without sticking too much.
  • Peel and dice the apples in about 2cm cube pieces. If you are adding strawberries, also cut them in half or quarter pieces.
  • Add a thin layer of cake batter in the cake pan, put a layer of fruits, put the rest of the batter. If you are using a springfoam cake pan, you can add the fruits on top of the batter too.
  • Bake for 45-55 minutes. Or until a toothpick inserted in the middle comes out clean.
  • Enjoy warm or cold 🙂
  • Optional: You can add a dollop of whipped cream on top, or dust with powdered sugar. If you preserve it in the fridge, before eating, you can also add a splash of milk and microwave it for 30 seconds.

Cupcake version:

  • You can also make cupcakes with this cake batter. Just add to buttered cupcake molds till they are half full. Add fruits. Top it up with some brown sugar and cinnamon powder mix. Bake for 25 minutes or until a toothpick at the center comes out clean.
Categories
Lifestyle / Tips

করোনা ভাইরাসঃ COVID-19- অবশ্যই জেনে রাখা, এবং মেনে চলার মতো কিছু তথ্য

ভূমিকাঃ 

করোনাভাইরাসের একটি নতুন ধরণবাহিত রোগ, COVID-19 যে পৃথিবীব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে, এবং প্রচুর জীবনহানির কারণ হয়েছে, তা ইতিমধ্যে সবাই জানি। কিন্তু গণমাধ্যমের অপপ্রচার হোক, বা ইন্টারনেটের অবাধ প্রসার হোক, যে কোনো কারণেই এই রোগটির ব্যাপারে সঠিক তথ্যের চাইতে ভীষণভাবে ভ্রান্ত তথ্যের বিস্তারই বেশি দেখছি। আমি ডাক্তার নই, বা মেডিকেল সায়েন্সের সাথে জড়িত কোনো পেশায় নেই। তবে বিজ্ঞান গবেষণায় থাকার জন্য হোক, বা সাধারন জ্ঞান থাকার জন্য হোক, কোথাকার তথ্য বিশ্বাসযোগ্য, আর কোথাকার তথ্য আর বিশ্লেষণ এড়িয়ে চলতে হয়, এতোটুকু জানা আছে। পাশাপাশি, পড়াশোনার কারণে আপাত ইউরোপে থাকার জন্য এখানে করোনার বিস্তারের ভয়াবহতা, আর এর প্রতিরোধে যেসব ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে, তা নিজে দেখে আর নিজে এর মধ্যে থেকে এর গুরুত্ব অনুধাবন করেই এই কথাগুলো বাংলায় সবার কাছে পৌঁছে দেয়া গুরুত্বপূর্ণ মনে করে লিখছি। এখানের কোনও কথাই আমার মনগড়া নয়। লেখার শেষে তথ্যসূত্র আর লিঙ্ক দেয়া আছে। এখানে দেয়া তথ্যগুলোর যেকোনো সময়ের সঠিক আপডেটের জন্য লিঙ্কগুলিতে গেলেই পাওয়া যাবে। আশা করি দেখে, পড়ে, সত্যতা যাচাই করে আপনার মন্তব্য জানাবেন, আর পরিচিত কারো কাজে আসবে মনে হলে তাদেরকে লেখাটা পাঠাবেন। এই লেখাটা পড়ে একজন মানুষও যদি আরেকটু সাবধান হন, সেখানেই আমাদের লেখার সার্থকতা, আর কিছু না। – লামমীম, রুসলান   

করোনাভাইরাস কীঃ 

করোনাভাইরাস মূলত একটি নয়, বরং একটি ভাইরাস পরিবারের নাম। এই ভাইরাস কোষের গঠন গোলাকার। এই গোলকের পৃষ্ঠ থেকে বেরিয়ে আসা প্রোটিন দেখতে মুকুট বা ল্যাটিন ‘করোনা’র মতো দেখতে বিধায় এই নামকরণ। ১৯৭০ এর দশকে প্রথম মানুষকে আক্রান্ত করে এমন করোনাভাইরাসের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে, আর এখন পর্যন্ত এর ৭টি ধরণ দেখা গিয়েছে যা মানুষের দেহে রোগ সৃষ্টি করতে পারে। গত কয়েক দশকে আলোচিত সার্স (SARS), মার্স(MERS) ও এই ৭ ধরণের মধ্যে পড়ে। ২০১৯ সালে চিনের উহান প্রদেশে এক নতুন ধরণের নিউমোনিয়ার কারণ খুঁজতে গিয়ে এই নতুন করোনাভাইরাস পাওয়া যায়। এর নাম দেয়া হয় SARS-CoV-2 যা পরে COVID-19 (রোগের নাম Coronavirus Disease) নামে বেশি পরিচিত হয়।

এর সাথে সাধারণ ফ্লুর পার্থক্য কীঃ 

চীনের উহানে যখন COVID-19 প্রথম ছড়াতে শুরু করে, তখন বিশ্বের বেশিরভাগ জায়গাতেই একে খুব বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়নি। এমনকি সাধারণ ফ্লু তেও COVID-19 আক্রান্ত রোগীদের চেয়ে বেশি মানুষ মারা যাওয়ার সমীক্ষা দেখানো হয়। তবে খুব কম সময়ের মধ্যেই আমরা জেনে গিয়েছি যে COVID-19 মোটেও সাধারণ ফ্লু এর মতো নয়, এতে নিউমোনিয়া এবং কিডনি কাজ করা বন্ধ করে দেয়ার মতো জটিল উপসর্গ খুব বেশি দেখা যাচ্ছে। এই রোগ একেবারে নতুন বলে আমাদের কাছে কোন বিশদ সমীক্ষা বা তথ্য ছিল না, এখনো আমরা প্রতিদিন নতুন করে জানছি এর ব্যাপারে। তবে গত এক মাসেই এই রোগে আক্রান্তদের মৃত্যুহার চীনে ৪% থেকে ইতালিতে প্রায় ৮% (১৬ মার্চের তথ্য অনুযায়ী)এ পৌঁছেছে, যেখানে ফ্লু তে মৃত্যুহার ১% এর চেয়েও অনেক কম। এর একটি বড় কারণ, COVID-19 এর কোনও কার্যকরী চিকিৎসা, বা প্রতিষেধক আবিষ্কৃত হয়নি। কাজেই এখনো মূল প্রতিকার শুধু রোগের বিভিন্ন লক্ষণের জন্য চিকিৎসা সেবা, আর মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। 

বর্তমানে COVID-19 এর বিস্তার কেমনঃ 

আমি এখন লিখছি সেন্ট্রাল ইউরোপিয়ান সময় ১৭ মার্চ, ভোর ৩টায়। এখন সবচেয়ে শেষ আপডেট অনুযায়ী, বিশ্বের ১৬২ টা দেখে COVID-19 এর সংক্রমণ পরীক্ষার মাধ্যমে সনাক্ত হয়েছে। এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১,৮২,৫৫০ – যার মধ্যে ৭,১৬৪ জন মৃত্যুবরণ করেছে, আর ৭৯,৮৮১ জন সুস্থ হয়েছে। এখনও অসুস্থ আছে এমন রোগীর সংখ্যা ৯৫,৫০৫ জন। তবে শুধুমাত্র এই সংখ্যাগুলো দেখে এর সংক্রমণের ব্যাপ্তি বোঝা যাবে না। চীনে প্রথম শুরু হলেও, আর সেখানে মোট ৮০,০০০+ মানুষ সংক্রমিত হলেও সেখানের মোট জনসংখ্যার তুলনায় এই সংখ্যা খুব বেশি না (প্রতি ১০ লক্ষ মানুষে ৫৬ জন)। সেই তুলনায় ইতালিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা মোট ২৭,৯৮০ জন (প্রতি ১০ লক্ষে ৪৬৩ জন, চীনের প্রায় ৯গুন!)। এছাড়া প্রতিদিনই অসংখ্য নতুন রোগীর সংক্রমণ নিশ্চিত হচ্ছে। ইতালিতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩,২৩৩ জন নতুন রোগী সনাক্ত হয়েছে। জার্মানিতে গত সপ্তাহের শুক্রবার সারাদেশে রোগীর সংখ্যা ছিল ৬০০+, গত ৮ দিনে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭,২৭২ তে! গত শুক্রবার এখানে নেদারল্যান্ডে রোগীর সংখ্যা ছিলো ৩ জন, যা আজকে ১,৪১৩ এ দাঁড়িয়েছে। গত একদিনেই ২৭৮ জন নতুন রোগী সনাক্ত হয়েছে এখানে। কাজেই প্রথমে এর বিস্তার তেমন বেশি মনে না হলেও এর বিস্তারের হার ‘সূচকীয়’ বা exponential হওয়াতে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে সংক্রমণের সংখ্যা আকাশচুম্বী হওয়া খুবই কম সময়ের ব্যাপার।   

কারা সবচেয়ে ঝুঁকির মুখে আছেঃ 

যেহেতু এখন পর্যন্ত COVID-19 এর চিকিৎসার বড় অংশ রোগীর নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার সাথে সম্পর্কিত, বয়স্ক মানুষ (৬০+), আর যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল, তারা সবচেয়ে বেশি COVID-19 এর জটিল উপসর্গর সম্মুখীন হচ্ছে। আগে থেকেই স্বাস্থজনিত ঝুঁকি বা রোগে আক্রান্তঃ যেমন ক্যান্সার, রিউমাটয়েড আরথ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদযন্ত্র, ফুসফুস, লিভার বা কিডনির জটিলতা যাদের আছে তারাও এই উচ্চ ঝুঁকির আওতায় আছে। তবে যেকোনো বয়সেই রোগের জটিলতা বাড়ার সম্ভাবনা আছে। 

কীভাবে নিশ্চিত হবো যে Covid-19 সংক্রমণ হয়েছেঃ  

এখনো সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য রোগ নির্ণয়ের উপায় হল কণ্ঠনালি আর নাক থেকে লালা আর মিউকাসের স্যাম্পল নিয়ে পরীক্ষা। PCR বা Polymerised Chain Reaction নামক পরীক্ষা করে এই ভাইরাসের জেনেটিক বৈশিষ্ট্য সনাক্তকরণের মাধ্যমে এর উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়। তবে তার আগে COVID-19 এর কোষের ভেতরের RNA কে DNA তে রূপান্তর করতে হয় Reverse-Transcriptase এনজাইমের মাধ্যমে। তাই পুরো পরীক্ষাকে সংক্ষেপে RT-PCR বলা হয়। এই টেস্টের ফলাফল পেতে ন্যুনতম ২৪ ঘণ্টা সময় লাগে। আর চাহিদার তুলনায় এই টেস্টের উপকরণ বেশ কম হওয়ায় বেশিরভাগ দেশেই এখন সংক্রমণের বেশ কিছু লক্ষণ প্রকাশ পেলে তবেই টেস্ট করা হচ্ছে। আর টেস্টের সময়টাতে রোগীকে আলাদা করে পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে। 

উপসর্গ কী কীঃ 

এখনো COVID-19 এর ব্যাপারে আমরা নতুন করে জানছি। সংক্রমণের মধ্যে ৮০% ক্ষেত্রেই উপসর্গ সাধারণ ফ্লু এর মতো, আর চিকিৎসা বাসায় বিশ্রাম নিয়েই সম্ভব। ১৪% ক্ষেত্রে উপসর্গ জটিল, আর ৬% ক্ষেত্রে গুরুতর। এসব ক্ষেত্রে হাসপাতালে দ্রুত ভর্তি হওয়া জরুরি। উপসর্গ প্রায় সব ক্ষেত্রেই জ্বরের সাথে শুরু হয়। কয়েকদিনের মধ্যে যোগ হয় কাশি। অবস্থা জটিল হতে থাকলে এক সপ্তাহের মধ্যে শুরু হয় শ্বাসকষ্ট। শ্বাসকষ্ট মারাত্মক অবস্থায় পৌঁছালে পানিতে ডুবে যাবার মতো অনুভূতি হয় ফুসফুসে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে দেখে। এখন পর্যন্ত রোগীদের মধ্যে যেসব উপসর্গ  কমবেশি দেখা গিয়েছে তা হলঃ

  • জ্বর (৯৮% )
  • ক্লান্তি (৭০%) 
  • শুকনো কাশি (৬০%)
  • ক্ষুধামন্দা (৪০%) 
  • গায়ে(মাংসপেশি) ব্যাথা (৩৫%) 
  • শ্বসনে জটিলতা (৩১%)
  • শ্লেষ্মা সহ কাশি 
  • শ্বাসনালী আর বুকে ব্যাথা 
  • মাথাব্যাথা 
  • ডায়রিয়া
  • বমিভাব   
  • মাথা ঘোরা 
  • পেটে ব্যাথা 

কীভাবে ছড়ায় COVID-19, আর ভাইরাস দেহে আসলে কতদিন লাগতে পারে লক্ষণ প্রকাশ পেতেঃ 

অন্যান্য ফ্লু এর মতোই, COVID-19 এর ভাইরাস ছড়ায় আক্রান্ত রোগীর নাক বা মুখ নিঃসৃত তরল থেকে যা হাঁচি বা কাশি মাধ্যমে ছড়ায়। এই ভাইরাসবাহি তরল যদি কোনভাবে আমাদের মুখ, নাক, বা চোখে প্রবেশ করে, তাহলে সংক্রমণ ছড়ায়। হাঁচি বা কাশির মাধ্যমে বাইরে আসা তরলের ফোঁটায় থাকা ভাইরাস কতক্ষণ বাতাসে বা কোন পৃষ্ঠে বেঁচে থাকতে পারে, তার কোন প্রমাণসহ উপাত্ত এখনো নেই। সার্স এবং মার্স, করোনাভাইরাস পরিবারের অন্য দুই ভয়ানক সংক্রামক রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাসের মানুষ বা প্রাণীদেহের বাইরে বেঁচে থাকার ক্ষমতা বস্তুর উপাদান, পরিবেশ, তাপমাত্রা ইত্যাদি নানান প্রভাবকের উপর নির্ভর করে কয়েক ঘণ্টা থেকে কয়েকদিন পর্যন্ত হতে পারে। COVID-19 এর জন্যও এই বৈশিষ্ট্য একই রকম ধারনা করা হচ্ছে প্রাথমিক কিছু তথ্য আর পরীক্ষা থেকে। বাতাসের থেকে স্টিল, প্লাস্টিক, বা কাঠের পৃষ্ঠে এর বেঁচে থাকার সময়কাল বেশি। ৩০ ডিগ্রী সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রায় এই ভাইরাসের এসব পৃষ্ঠে বেঁচে থাকার সময়কাল আরও কমে আসে। তবে একেবারে মরে যায়, তা না। আর কমে এসে সেই সংখ্যা কতোটুকু, এখনো নিশ্চিত ভাবে জানা যায়নি। 

COVID-19  ভাইরাস দেহে প্রবেশের পর রোগের লক্ষণ প্রকাশ পেতে ২-১৪ দিন পর্যন্ত লাগতে পারে এখন পর্যন্ত জানা তথ্য অনুযায়ী। তবে এই সময়কাল আরও বাড়তে পারে। 

এর প্রতিরোধে কী করতে পারিঃ 

সাধারণ স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন আর যথাযথ পরিচ্ছন্নতা মেনে চলা COVID-19 এর বিস্তার প্রতিরোধে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এর পাশাপশি বিশেষ করে অসুস্থ হয়ে পড়লে যেকোনো ভিড় বা মানুষের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা সংক্রমণ প্রতিরোধের সবচেয়ে ভালো উপায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আর COVID-19 দমনে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে নেয়া পদক্ষেপগুলোর কিছু হলঃ

  • বাইরে থেকে এসে, বা যেকোনো সময় হাত পরিষ্কারে অন্তত ২০ সেকেন্ড ধরে ভালোভাবে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া। হাতের তালুর উল্টো পিঠ, আঙ্গুলের মাঝে, কব্জি – সবজায়গায় যাতে সাবান পৌঁছে খেয়াল রাখা। 
  • একান্তই সাবান বা পানি না পাওয়া গেলে অন্তত ৬০% – ৮০%  অ্যালকোহল আছে এমন স্যানিটাইজার ব্যবহার করা। 
  • হাঁচি বা কাশি আসলে টিস্যু ব্যবহার করা। ব্যবহার করেই সাথে সাথে ডাস্টবিনে ফেলে দেয়া। 
  • সাথে টিস্যু না থাকলে কনুই তে হাঁচি বা কাশি দেয়া। হাতের তালুতে কোনভাবেই না দেয়া। 
  • হাত মেলানো বা হ্যান্ডশেক না করা। 
  • যেসব জিনিসপত্র বা পৃষ্ঠ (স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, কাজের জায়গা, টেবিল, রান্নাঘরের টেবিল, কাটিং বোর্ড ইত্যাদি) প্রতিদিন ব্যবহার করা হয়, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার আর জীবাণুমুক্ত করা। 
  • মানুষের সংস্পর্শ আর ভিড় এড়িয়ে চলা। একান্তই বের হতে হলে মানুষের থেকে কমপক্ষে এক থেকে দেড় মিটার দূরত্ব রাখা।  
  • হাত দিয়ে মুখ, চোখ, নাক স্পর্শ না করা। 
  • সামাজিক মেলামেশা, অনুষ্ঠান আপাতত বন্ধ রাখা। ইতালি, স্পেইন, নেদারল্যান্ড, কানাডা সহ অনেক দেশে সামাজিক অনুষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে আপাতত। স্কুল কলেজে বাসায় থেকে অনলাইনে ক্লাস হচ্ছে। এখানে রেস্টুরেন্ট, জিম, কফি শপ ইত্যাদি বোধও হয়েছে। অনেক দোকানে একসাথে ২/৩ জনের বেশি ক্রেতা ঢুকতে দেয়া হচ্ছেনা যেখানে ১০০ জনের বেশি খুব সহজে কেনাকাটা করতে পারে এমনিতে। দেশেও স্কুল কলেজ বন্ধ হয়েছে। এখন এই বন্ধে বাসায় না থেকে বাইরে ঘুরে বেড়ালে কোন কাজ হবে না এতে। বাসায় থাকুন, প্লিজ। 
  • কম বা বেশি জ্বর, কাশি, সর্দি – যেকোনো উপসর্গেই অন্তত এক সপ্তাহ ঘরের বাইরে না যাওয়া, মানুষের থেকে দূরে থাকা। COVID-19 এর সংক্রমণ না হলেও এসব রোগের কারণের তখন আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল থাকে। তাই COVID-19 এ আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। আর যদি COVID-19 এ আক্রান্ত হয়েও আপনার উপসর্গ সাধারণ ফ্লু এর মতো হয়, আপনার থেকে অন্যদের মাঝে ছড়ালে এর জটিলতা যে বাড়বে না তার কোনও নিশ্চয়তা নেই। কাজেই নিজে সাবধানে থাকুন, অন্যদের ও নিরাপদে রাখুন। 
  • কাঁচাবাজার, আর বিশেষ করে পশুপাখির বাজার এড়িয়ে চলুন। করোনাভাইরাসের সবগুলো প্রজাতিই পশুপাখিদের শরীর থেকে মানুষের শরীরে এসেছে। 
  • সম্ভব হলে বেশিদিন বাসায় ভালো থাকে এমন খাবারের উপকরণ ( যেমন চাল, ডাল, পেয়াজ, রসুন, আদা, মসলা, ডিম, ছোলা, আলু ইত্যাদি ) দুই সপ্তাহ থেকে এক মাসের মতো পরিমাণে কিনে রাখুন। 
  • মাস্ক বেশি করে কিনে সংক্রমণ এড়ানো সম্ভব না। বরং আক্রান্ত রোগী আর চিকিৎসকদের জন্য মাস্ক ব্যবহার অনেক বেশি জরুরি সংক্রমণ ঠেকাতে। ইউরোপের বেশিরভাগ দেশে রোগী বা চিকিৎসা সংক্রান্ত পেশার না হলে মাস্ক না কেনার কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। 
  • ফলমূল, এবং শাকসবজি, বিশেষ করে ভিটামিন সি যুক্ত ফলমূল বেশি করে খাবেন। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী রাখা বেশি জরুরি এখন। 
  • বাজার, বা টিস্যু, যেকোনো কিছুই কেনার সময় মনে রাখবেন, আপনি একা ব্যবহার করে রোগ সংক্রমণ বা বিস্তার ঠেকানো সম্ভব না, শুধুমাত্র সমাজের সবাই ঠিকভাবে পরিচ্ছন্নতা মেনে চলতে পারলে, আর নিয়মগুলো মানতে পারলেই যথাসম্ভব দ্রুত এই ভাইরাসের বিস্তার ঠেকানো যাবে। 

শেষকথাঃ 

করোনাভাইরাসকে যে উপেক্ষা করা সম্ভব না তা এতদিনে আশা করি বুঝে গিয়েছি সবাই। এখনি সাবধান না হয়ে উটপাখির মতো বালুতে মাথা গুঁজে রাখলে যে খুব কম সময়ের মধ্যেই এই ভাইরাস ভয়াবহ ভাবে দেশের সবজায়গায় ছড়িয়ে পরবে তাতে কোন সন্দেহ থাকার অবকাশ নেই আর। তবে একই সাথে আতঙ্কিত হয়ে বাজারের সব টয়লেট পেপার অথবা সাবান কিনে ফেলেও অবস্থার কোন পরিবর্তন হবে না। গত ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য  সংস্থা (WHO) COVID-19 এর এই প্রসারকে প্যান্ডেমিক বা ‘বৈশ্বিক মহামারী’ হিসেবে ঘোষণা করেছে, তা যথার্থ কারণেই। তবে, আমরা সবাই যদি সঠিক তথ্য জেনে, মাথা ঠাণ্ডা রেখে, এই দুর্যোগ ঠেকাতে যেসব বিশেষজ্ঞ নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন তাদের উপদেশগুলো মেনে চলি, আর শুধু নিজের কথাই না ভেবে কীভাবে সবাই একসাথে এই কঠিন সময় থেকে বের হয়ে আসতে পারি তা ভাবি, তাহলে অবশ্যই এর ভয়াবহতা ঠেকানো সম্ভব। প্রয়োজন এখন ধৈর্য, সহযোগিতা, আর সবার জন্য সঠিক তথ্য। 

তথ্যসূত্রঃ 

Categories
Lifestyle / Tips

Weekend recipe: Low carb/gluten free New York style cheesecake

Weekends are the most active time for me in the kitchen. I suppose this is also true for most of the graduate students if not all of us. Now, besides getting bored with repetitive food menu very quickly, I also enjoy experimenting and creating new things – be it a new recipe, or trying a new form of art. And I find cooking exceptionally therapeutic to calm down. Thus, during most of our weekends, my husband Ruslan and I try out different recipes from online or make our own by mixing and matching what we know. 

Both of us love sweets. But for the last few months, we are avoiding refined sugars and store-bought sweet items. Also, found out that I have gluten intolerance. So, I was looking for a cake recipe that does not need wheat flour, but does not compromise the taste too much as well. Found a good number of ‘keto’ cheesecake recipes, but did not want to make it that strictly. So, we took ideas from few recipes and changed some parts to suit our options. And the cake turned out delicious! So, decided to keep the recipe here to share and also to make it easier to find for myself when we will be making it again. 

Ingredients: 

For crust: 
Almond flour – 1/2 cup
Coconut flour – 1/2 cup
Psyllium husk powder – 1 table spoon (optional)
Butter – 1/3 cup (melted)
Coconut sugar – 1 tea spoon

For filling:

Cream cheese – 400 gm – softened
Coconut sugar – 120 gm (1/2 cup, any kind of sugar/sugar free sweetener should be fine.)
Plain greek yogurt – 120 gm (1/2 cup, sour cream is more appropriate for the classic recipe.)
Heavy whipping cream – 180 gm (3/4 cup)
Eggs – 2 (room temperature)
Vanilla essence – 1 table spoon (15 ml)
Zest – 1 lemon
Lemon juice – 1/4 lemon

Preparation:

Mix all the items for crust in a bowl till the flour becomes crumbly by mixing with butter. Make sure that all the flour are more or less evenly mixed with the butter. Adjust with a tea spoon more butter if it looks too dry.

Line a spring-foam cake pan with baking paper at the bottom and butter on the sides. Put the crust mix and spread evenly while gently pressing as you would do for a classic graham cracker made crust. Make sure that the crust is not too loose that it falls by crumbling if the pan is tilted. And not too pressed that it has an uneven distribution at the bottom.

Put the crust and pan in the fridge. Preheat oven to 180 degree Celsius.

In a medium to large bowl, mix the softened cream cheese and the sugar till the sugar is not grainy anymore. It took about a minute in electric hand-mixer. 

Add in the yogurt, and heavy cream. Mix till well combined. 

Add in the 2 eggs one by one and mix each time. Lastly add the vanilla essence, lemon zest, and the lemon juice. Mix everything once again. Scrape from the sides to make an even mix everywhere. 

The mix should have a creamy mayonnaise-like consistency. Do not worry if it looks a bit runnier, but make sure it is a smooth mix. 

Take the pan with crust out of fridge and pour the filling mix. Tap a few times and use a toothpick to let the air bubbles out from the mix. It will make the cake smoother. 

Wrap the bottom of the pan with aluminium foil and put it on a casserole pot or high-edged baking tray. Pour in hot water till it rises up to half of the length of the cake pan. The water bath or bain-marie ensures even and controlled heat at the bottom for the creamy texture. 

Bake at 180 degree Celsius for 30 minutes, and at 150 degree Celsius for another 30 minutes. Afterwards, turn the heat off and let it rest at the hot oven for an hour. 

After an hour, take it out, let it cool, and then put in fridge for 6 hours or overnight before serving! 

Bonus: Strawberry Compote to serve with the cake:

In a microwaveable bowl, take 7/8 roughly chopped fresh or frozen strawberries/raspberries. Add in 1 tablespoon of sugar of your choice. Put in microwave for 2 minutes. After 2 minutes, take out, give it a stir and put for another minute. Mash the strawberries slightly with a fork. Pour on a freshly sliced cheesecake, and enjoy! 

Categories
Lifestyle / Tips

My TOEFL Preparation and Tips

Firstly, the only time I took the TOEFL or ‘Test Of English as a Foreign Language’ was on 7th of November, 2015. That is more than 3.5 years ago from now. I had to take it to apply for my MSc in Europe. For various reasons, I had only a couple of weeks to prepare for it. However, I managed to do well with a score of 119 on a scale of 120 (Reading – 30, Listening – 30, Speaking – 30, Writing – 29). I made a short write-up about my preparation right after getting the scores, and I still get questions from people who are preparing for it from Bangladesh (where I am from). So, I decided to write about it here to keep it available for a longer time in case it can still help someone. 

Now, I am no trainer for TOEFL, and my strategies are based on only one attempt. So, I am not saying that this will definitely work for any level of background. But if you are short on time, and have a decent background in English already, this might help you to tackle TOEFL as a test. Also, I do not work with any of the organizations that are involved with test test taking or preparation. This is entirely from my personal experience. Now that the disclaimer is done away with, I will go on with my suggestions. 

Preparation: 

The first step will definitely be to familiarise yourself with the four sections of the test and the types of questions that come in each section. TOEFL is maintained by ETS from USA, and they have very handy short guides in the ETS-TOEFL website. The test pattern is pretty standard and repetitive. It may take maximum a couple hours to go through the question types and how you are expected to answer each section. But it will save you a lot of time to prepare for things out of context and also save you from any element of surprise during the exam.

For TOEFL, you do not really need to memorise a lot of vocabulary if you have a decent vocabulary grown over your high school and undergraduate study in Bangladesh (and I am pretty sure about from most other countries). Mostly, there are only a few questions from this part, and the word meaning is asked in terms of the context of the paragraph. So, it is not too difficult, and definitely not worth it to spend your short time at hand to spend on preparing for this part. 

If you are too insecure about your vocabulary level, there are a large number of apps available. I downloaded the ‘Magoosh’ app for TOEFL vocabulary list, and went through the lists very quickly. They were almost all known words, which is the correct level for TOEFL. 

I took notes while reading or preparing to categorise the question patterns and later on how to answer those questions. It was more like a chart and was very helpful to go through while I was stuck during the mock tests. 

I went through the materials from “Notefull” to get an idea about how to answer different types of questions after going through ETS materials. They were very helpful. Especially for the reading and speaking part. I went through the other two parts anyway as I had no clue about what comes and what not. And that was about all the ‘Tips’ materials that I used.

There is a dedicated mock test taker for TOEFL from ETS called TOEFL Practice Online aka TPO. After going through the aforementioned materials, I practiced a few tests in TPO. It resembles the original test very closely. The writing and speaking sections were completely similar. The reading and listening parts seemed a little easier than the original one. However, I found that TPO reduces marks more than the original test for wrong answers because my scores were better in the final one. That might be changed in the updated versions as I have no idea about the recent updates. 

In TPO, I gave 2 complete tests, 6~7 reading, 2~3 listening, 2 writing and 5 speaking altogether. I was not happy with my reading test scores in the beginning, and I did not like how I was answering my speaking section. So, I focused on those 2 more.

TOEFL is a simple test as it is about our capacity to communicate and not our capacity to deliver academically usable or literature worthy pieces. So, it is OKAY to use simple word and structure as long as it is within the context and is correct in grammar and spelling. I think, they are pretty liberal with the pronunciation as it is normal to have accent for different native language speakers. 

In reading part, the most important is reading comprehension and paying attention to the question as they can be a bit tricky. Pay attention to the negative terms in the question and in the answer options. Also, it is important to answer from the given paragraph or essay and NOT from your knowledge. The test is not about being right or wrong in a topic, it is about understanding the questions the ask and answering them in accordance with the materials they provide. So, read and answer carefully. It will be tricky, but not difficult.

In listening part, the most important part is to take quick notes that you can understand. As nothing will be repeated, and there can be too many things to remember, even a word that reminds you o the context will be helpful. The same goes for the writing part. Clear and fast notes will definitely improve your score in listening, and writing. And again, answer from the materials (audio or script) they provide, and not from knowledge. 

For speaking and writing part, tips from Notefull are enough I think. They also provide good format for speaking and writing part. I would suggest looking at those and coming up with a version that you are most comfortable with while you do the mock tests. 

Last but not the least, during speaking, use deep breaths to calm down and collect your thoughts if necessary instead of saying random fillers like umm, err etc. Also, do not try to speak from memory. Try to speak like you are talking to a person. You do not have to explain everything, and it is better to finish a few seconds earlier than the given time than being midway when the recorder stops. 

Preparation Time:

I had my TOEFL on November 7th and started preparing from about two weeks ago. But I had my job and spent 1~2 hours per day only. So, I’d say if you are going for intensive preparation, 1 week will be enough. But, it is more about practicing than studying; so the more time you spend, the better. Also, it depends on your level where you started.

Overall, I will stress again that TOEFL is not a complicated test. It does not need extreme preparation and knowledge. But, like any other tests, some strategies can make it much less intimidating and can increase the chance of a higher score. I hope this post helps you if you are just starting the preparation and are lost about where to start and what to do. Good luck! You are welcome to leave any questions or comments.